Search

আজকের দিন-তারিখ

  • বুধবার ( দুপুর ২:৩২ )
  • ১৭ই অক্টোবর, ২০১৮ ইং
  • ২রা কার্তিক, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

‘চিকিৎসকদের শহরমুখিতা রোধে প্রতি উপজেলায় বহুতল আবাসন সুবিধা’

খুলনা মেইল ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তার সরকার আগামী ভোটে পুনরায় নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসতে পারলে প্রত্যেক বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, তার সরকার উপজেলা পর্যায়ে বহুতল আবাসন সুবিধা সৃষ্টির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারদের সুবিধার জন্য এবং তাদের শহরমুখিতা প্রতিরোধেই এটা করা হচ্ছে। এসব ফ্লাটে চিকিৎসকরা ভাড়া থাকার সুযোগ পাবেন।-খবর বাসসর।

রোববার বিকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে বাংলাদেশ মেডিকেল এসেসিয়েশনের(বিএমএ) চিকিৎসক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবাটা নিশ্চিত করা সরকার হিসেবে এবং মানুষ হিসেবে আমাদের দায়িত্বও কর্তব্য বলে আমি মনে করি।

তিনি বলেন, সেজন্য বিশেষায়িত চিকিৎসক, টেকনিশিয়ান, নার্সিং থেকে শুরু করে সবক্ষেত্রে আমাদের প্রশিক্ষণ প্রদান একান্তভাবে প্রয়োজন। এজন্য আমরা যেমন ইনস্টিটিউশনগুলোও করে দিয়েছি তেমনিভাবে চিকিৎসার সুযোগটাও আরও ব্যাপকভাবে সৃষ্টি করতে চাই।

‘বিদেশ থেকে যেমন প্রশিক্ষণ দিয়ে নিয়ে আসা হচ্ছে তেমনি বিদেশি প্রশিক্ষক এনে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার ওপরও আমরা জোর দিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, আমার অনুরোধ থাকবে চিকিৎসক ভাই বোনদের কাছে- মানুষের সেবা করাটা কিন্তু সর্বপ্রথম কর্তব্য। কিন্তু এ প্রসঙ্গে একটা দুঃখের কথা আমি বলতে চাই। সেটা হলো, উপজেলা হাসপাতালগুলোকে উন্নতমানের করার জন্য আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি, যেখানে আমাদের ৫০ বেডের একটি হাসপাতালে অন্তত ১০ জন চিকিৎসক প্রয়োজন, সেখানে কোথাও একজন কোথাও কোথাও খুব বেশি হলে ৪ জন রয়েছেন।

এসব হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকলে মানুষ সেবা পাবে কীভাবে? প্রশ্ন রাখেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, পদ আমরা সৃষ্টি করে দিয়েছি কিন্তু এখানে আমরা ডাক্তার পাইনা, নিয়োগও আমরা দিয়ে যাচ্ছি, কিন্তু কেন এই অবহেলা, মানুষের প্রতি। এটা নিশ্চয়ই জনগণ প্রত্যাশা করে না। সেটা আমি আপনাদেরকে ভেবে দেখার জন্য অনুরোধ করবো।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালিক এবং কনফেডারেশন অব মেডিকেল এসেসিয়েশন অব এশিয়া এন্ড ওশেনিয়া অঞ্চলের সভাপতি ডা. রবীন্দ্রান আর নাইডু অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন।

এতে বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশন (বিএমএ) সভাপতি ড. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনের সভাপতিত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া এবং বিএমএ মহাসচিব ডা. ইহতেশামুল হকও আলোচনা রাখেন।

শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের বর্তমান আধুনিক যুগে স্বাস্থ্যখাত বা চিকিৎসাসেবারও অনেক আধুনিকায়ন হয়ে গেছে। নতুন নতুন ডেফিনেশন এসে গেছে। নতুন নতুন চিকিৎসা শাস্ত্রও কিন্তু চলে এসেছে- কাজেই তার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আমাদের চিকিৎসা সেবা ও শিক্ষার মানটা বাড়াতে হবে। যেন আমরা বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারি।

‘আমাদের দেশে প্রাইভেট হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ খুব বেশি ছিল না, প্রথমবার সরকারে থাকার সময়ই আমি মেডিকেল যন্ত্রাংশ থেকে সকল ট্যাক্স প্রত্যাহার করে নেই বা কমিয়ে দেই যাতে করে আমাদের দেশের বেসরকারি খাতটা আরও উন্মুক্ত হয় এবং বেসরকারি খাতে আরও হাসপাতাল বা মেডিকেল কলেজ গড়ে উঠতে পারে,’ বলেন প্রধানমন্ত্রী




মন্তব্যসমূহ

টি মন্তব্য