Search

আজকের দিন-তারিখ

  • শুক্রবার ( দুপুর ১২:২৬ )
  • ১৬ই নভেম্বর, ২০১৮ ইং
  • ২রা অগ্রহায়ণ, ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

অবশেষে গতি পাচ্ছে খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর প্রক্রিয়া

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসনিার প্রতিশ্র“ত খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদে বিল পাসের তিন বছর অতিবাহিত হলেও এখন পর্যন্ত নিয়োগ হয়নি প্রকল্পের পরিচালক। একই সাথে জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজে নেই কোন অগ্রগতি। তবে হতাশার মধ্যেও আশা জেগে উঠেছে। অচিরেই গতি ফিরে পেতে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় চালুর প্রক্রিয়া। জমি সংক্রান্ত জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এ প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করছে এ সরকার। এ জন্য সোমবার খুলনা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ও এর আশপাশের জমি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান বলেন, খুলনার উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর অনেকগুলোর প্রতিশ্র“তি বাস্তবায়িত হয়েছে।

খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকল্প বাস্তবায়ন হয়নি। এটির একটি বড় অসুবিধা ছিল জমি। খুলনা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে যে জমি রয়েছে তার চেয়ে বেশি প্রয়োজন। শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০ একরের চেয়ে জমি কম রয়েছে। সেক্ষেত্রে আলাপ করে হিসাব পেয়েছি যে খুলনা কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের ৫০ একর জমি রয়েছে। আর আশপাশের এলাকায় অধিগ্রহণ করা হলে ৯০ একর জমি পাওয়া যাবে। এখানে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় করা সম্ভব। তবে কৃষিবিদদের পরামর্শের প্রয়োজন হবে। খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমার কথা হয়েছে। তিনি এ বিষয়ে খোঁজ-খবর নিতে বলেছেন। খোঁজ নিয়ে এই তথ্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপন করবো। আশা করি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সব জটিলতা কাটিয়ে দ্রুত এই প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হবে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবু সায়েদ মোঃ মঞ্জুর আলম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান জমি সংক্রান্ত ম্যাপ প্রস্তুত করে দিতে বলেছেন। যা দ্রুত উপস্থাপন করা হবে।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ) আব্দুর রেজ্জাক জানান, স্থানীয় জেলা প্রশাসনের নিকট থেকে জমির হালনাগাদ প্রাক্কলন ব্যয় প্রস্তুত করে পাঠিয়েছে। প্রকল্পের পরিচালক নিয়োগ হলে তিনিই প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তুতসহ সকল কাজ করবেন।

নগরীর দৌলতপুরের কৃৃষি সম্প্রসারণ প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অব্যবহৃত ৫০ একর জমি এবং পাশের ব্যক্তি মালিকানাধীন ১২ একর জমি নিয়ে এই বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলার প্রাথমিক পরিকল্পনা করা হয়।

২০১৫ সালের ৫ জুলাই সংসদের অধিবেশনে ‘খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বিল-২০১৫’ পাসের জন্য তুলতে কণ্ঠভোটে তা অনুমোদন পায়




মন্তব্যসমূহ

টি মন্তব্য